ব্রেকিং নিউজ
জামালপুর এনডিইএ’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে সোহানুর রহমান ও নয়ন মিয়া সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসকের সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় রংপুরে এনডিইএ’র নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা,নেতৃত্বে মোঃ শাহাদাত হোসেন সৈকত ও মো: শাহাদাৎ হোসেন বাবা সাংবাদিক, সন্তান হৃদরোগে আক্রান্ত—রিহানকে বাঁচাতে মানবিক আবেদন বাজুয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা
×

মো: এরশাদ আলী-রাজশাহী বিভাগীয় প্রধান
প্রকাশ : ৮/১২/২০২৫, ১২:৪৮:২৫ PM

যে মাছটি দেখা মাত্র মেরে ফেলার নির্দেশ!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র বিজ্ঞানীরা এমন কিছু মাছের সন্ধান পেয়েছেন, যারা জলের বাইরেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। কিছুদিন আগে বারাণসীর গঙ্গা নদীতে অ্যামাজন নদীর একটি মাছ ধরা পড়লে বিজ্ঞানীরা ভয় ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছিলেন।

 মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র বিজ্ঞানীরা এমন কিছু মাছের সন্ধান পেয়েছেন, যারা জলের বাইরেও বেঁচে থাকতে সক্ষম। কিছুদিন আগে বারাণসীর গঙ্গা নদীতে অ্যামাজন নদীর একটি মাছ ধরা পড়লে বিজ্ঞানীরা ভয় ও আতঙ্ক প্রকাশ করেছিলেন।

বিদেশের সমুদ্রের জলে সাধারণত এমন অনেক মাছ পাওয়া যায়, কিন্তু কিছু মাছ কোনোভাবে গঙ্গা নদী বা বাংলার অন্য কোনো নদীতে প্রবেশ করে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ এই মাছগুলো সম্পর্কে না জেনে কৌতূহলী হয়, তাই বিজ্ঞানীরা সতর্কবার্তা জারি করেছেন। এবার তেমনই একটি মাছ সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিয়ে বিজ্ঞানীরা এটিকে দেখা মাত্র মেরে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র বিজ্ঞানীরা যে মাছটি নিয়ে সতর্ক করেছেন, সেটি হলো স্নেকহেড ফিশ (Snakehead Fish)। এই মাছটিকে দেখতে অনেকটা সাপের মতো। মাছটি প্রায় ১৮ পাউন্ড ওজনের হয় এবং এর রয়েছে ধারালো দাঁত। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে মাছটির শিকার করতে কোনো অসুবিধা হয় না, যা বাস্তুতন্ত্রের জন্য একটি বড় সমস্যার কারণ। মাছটি খুব সহজেই জলের অন্যান্য মাছকে খেয়ে ফেলতে পারে, তাই বিজ্ঞানীরা এটিকে দেখা মাত্রই মেরে ফেলার কথা বলেছেন।

এই মাছটি ১৯৯৭ সালে একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভার হুড লেকে ধরা পড়েছিল। পরবর্তীতে এটিকে জর্জিয়ার লেকে পেয়ে বিজ্ঞানীরা হতবাক হন। মাছটির আকৃতি সাপের মতো হওয়ায় এটির নাম দেওয়া হয়েছে স্নেকহেড ফিশ। বিজ্ঞানীদের ধারণা, এটি পূর্ব এশিয়ার মাছ। মাছটি ধরা এবং বিক্রি করা ২০০২ সালে বেআইনি বলে ঘোষণা করা হয়েছিল।বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে জানিয়েছেন, এই মাছটির শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে গঠিত যে এটি বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে। একারণেই মাছটি শুধু জলেই নয়, ডাঙাতেও (স্থলে) অল্প সময়ের জন্য বেঁচে থাকতে পারে বা চলাচল করতে পারে।